প্রাচীন যুগ ও চর্যাপদ – বাংলা সাহিত্য

প্রাচীন যুগ ও চর্যাপদ

প্রাচীন যুগ ও চর্যাপদ নিয়ে বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় , বিসিএস ও পিএসসি তে আসা প্রশ্ন এর সমাধান নিয়ে এই পোস্ট এ আমরা আলোচনা করবো। এগুলো ভালোভাবে পড়তে পারলে আশা করি সামনে বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় ভালো কাজে লাগতে পারে।

চর্যাপদ হচ্ছে অনেক প্রাচীন নিদর্শন এর ব্যাপ্তিকাল ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রি: পর্যন্ত। নেপালে রাজ গ্রন্থশালা থেকে ১৯০৭ খ্রী: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যার একটি খন্ডিত পুথি উদ্ধার করেন।

প্রাচীন যুগ ও চর্যাপদ নিয়ে বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন ও এর সমাধান :

  • বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন – চর্যাপদ।
  • যে জন ”চর্যাপদে”র পদকর্তা – শবরপদ।
  • বাংলা ভাষার আদি গ্রন্থ – চর্যাপদ।
  • চর্যাপদে গান সংখ্যা – ৫১ টি।
  • কাহ্ন পা যে ধরনের সাহিত্য রচনা করেছেন – চর্যাপদ।
  • চর্যাপদের প্রথম পদটি হচ্ছে – কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল / চঞ্চল চীএ পৈঠা কাল (রচিতা লুইপা)।
  • চর্যাপদের পদ গুলো মূলত – গান।
  • চর্যাপদ প্রথম প্রকাশিত হয় – বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে।
  • চর্যাপদে পদ রয়েছে – ২৪ জন কবির।
  • ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, চর্যাপদের ভাষা – বঙ্গ কামরূপী।
  • চর্যাপদ যে বাংলা ভাষায় রচিত এটি প্রথম প্রমাণ করেন – ড. সুনীতিকুমার চট্রোপাধ্যায়।
  • চর্যাপদের পদগুলো টিকার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন – মুনিদত্ত।
  • বাংলা সাহিত্যের আদি গ্রন্থ চর্যাপদ এর রচনা কাল – সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতক। ( ড. সুনীতিকুমার এর মতে দশম থেকে দ্বাদশ )।
  • চর্যাপদে প্রাপ্ত  পদের সংখ্যা – সাড়ে ৪৬ টি।
  • চর্যাপদের মূল নাম – চর্যাজচর্যাবিনিশ্চয়।
  • চর্যাজচর্যাবিনিশ্চয় এর অর্থ – কোনটি আচরনীয়, আর কোনটি নয়।
  • চর্যাপদ হলো – বৌদ্ধ সহজিয়াদের  সাধন সংগীত।
  •  চর্যাপদে সবচেয়ে বেশী পদের রচিতা – কাহ্ন পা।
  • চর্যাপদ রচনার উদ্দেশ্য – ধর্মচর্চা।
  • নতুন চর্যাপদের রচিতা – সৈয়দ  মোহাম্মদ শাহেদ।
  • যে রাজ বংশের আমলে চর্যাপদের বিকাশ ঘটে – পাল বংশ।
  • হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কার করেন – ১৯০৭ সালে।
  • চর্যাপদ যেখান থেকে আবিষ্কার করা হয় – নেপাল।
  • ”হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা” প্রকাশ পায় – বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে।
  • ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের নাম – Buddhist Mystic Songs.
  • “সন্ধ্যাভাষা” কোন সাহিত্যে কর্মের সঙ্গে যুক্ত – চর্যাপদ।
  • চর্যাপদে কোন ধর্মের কথা আছে – বৌদ্ধ।
  • চর্যাপদ – মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
  • যে কবি নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন – ভুসুকুপা।
  • বাংলা সহিত্যের আদি কবি – লুইপা।
  • চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় – নেপালের রাজ গ্রন্থশালা থেকে।
  • বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য সংকলন চর্যাপদ এর আবিষ্কারক – ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ।
  • ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন – ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান (১৮ জুন ১৯২১ খ্রী:)।

প্রাচীন যুগ ও চর্যাপদ নিয়ে উপরুক্ত প্রশ্ন গুলো বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ পরিক্ষায়, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় এসেছিল। এগুলো ভালো ভাবে পড়তে পারলে আশা করি  সকল পর্রীক্ষায় “প্রাচীন যুগ ও চর্যাপদ” অংশ থেকে কমন থাকবে ।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *